শুক্রবার, অক্টোবর ২০, ২০১৭

প্রচ্ছদ > ক্যাম্পাস > ঢাবিতে অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের বৃত্তি প্রদান

ঢাবিতে অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের বৃত্তি প্রদান

Pic.-DU-AA

ক্যাম্পাস প্রতিনিধিঃ

ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে  ২৬ জানুয়ারি  সকালে বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘শিক্ষা ও সামাজিক উদ্যোগের জন্য বৃত্তি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ১ম ও ২য় বর্ষ অনার্সের ৭০০ জন মেধাবী, অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অ্যালামনাইয়ের প্রধান পৃষ্ঠপোষক অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর এস. কে. সুর চৌধুরী ছিলেন অনুষ্ঠানের অতিথি বক্তা।

al

অনুষ্ঠানে অনুদান দাতাদের মধ্যে বেক্সিমকোর চেয়ারম্যান এ. এস. এফ. রহমান, ইস্টার্ন ব্যাংকের সিইও আলী রেজা ইফতেখার, সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ও নয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শবনম শাহনাজ চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানান এবং বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে তিনি বিশেষ গর্ববোধ করেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত এসোসিয়েশনের কার্যক্রমের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে শিক্ষিত করার কোন বিকল্প নেই এবং এসোসিয়েশন এ ব্যাপারে আরও পদক্ষেপ নিবে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামোর উন্নতি সাধিত হয়। যেসব শিক্ষার্থীরা এই সুযোগটি পেল, ভবিষ্যতে উজ্জ¦ল জীবন গঠনের লক্ষ্য তাদের এখনই ঠিক করে নিতে হবে। চাকুরী বা ব্যবসা যে ক্ষেত্রেই কাজ করেন না কেন দেশের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য অর্র্থমন্ত্রী তাদের প্রতি আহ্বান জানান। ‘উচ্চাশা স্বার্থকতার প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর’- বলে তিনি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

এসোসিয়েশনের সভাপতি এ. কে. আজাদ পুরো বৃত্তি প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করেছিলেন,তিনি জানান ১১০০ শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য আবেদন করে, সাক্ষাৎকার নিয়ে তার মধ্যে ৭০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য চূড়ান্ত করা হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান অনুদান দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন ভবিষ্যতে এসোসিয়েশন আরও পদক্ষেপ গ্রহন করবে। অনুদান দাতা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- বেক্সিমকো, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, সিটি গ্রুপ, স্টিলটেক ইন্ডাস্ট্রি লিঃ, নয়ার, রাইজিং হোল্ডিং লিঃ, হান্নান ফ্যাশন লিঃ, ইমরান ফজলুর রহমান ও খাঁজা নারগিস হোসেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ৪বছর ধরে এই বৃত্তির টাকা পাবে এবং প্রতি ৩মাস অন্তর এই টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারবে।

পাঠকের মন্তব্য

আপনার ই-মেইল অপ্রকাশিত থাকবেবক্সটি পূরণ করুন *

*

Pin It on Pinterest

Shares
Share This